খুঁজুন
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১ আষাঢ়, ১৪৩৩
আজঃ সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
শিরোনাম
হালুয়াঘাটে মোবাইল গেম আসক্তি তীব্র অবক্ষয়ের মুখে কিশোরেরা প্রশাসনের সহযোগিতা চায় সচেতন মহল হালুয়াঘাটের যুবক ভারতে বিএসএফের হাতে আটক পতাকা বৈঠক চলছে ফিরিয়ে আনার বিজিবির সর্বোচ্চ চেষ্টা।  আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালো করতে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার বিকল্প নেই: তাওহীদ হৃদয় বালিয়াডাঙ্গীতে সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের সচেতনতামূলক সমাবেশ ‎নাসিরনগরে বিস্ফোরক মামলায় উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল গ্রেফতার ফতুল্লায় সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজাসহ ‘ফাইটার মনির’সহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার নাসিরনগরে ‎বাজেট কার্যকরের আগেই ভোক্তাদের পকেট কাটছে অসাধু সিন্ডিকেট বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে গড়ে উঠুক আগামী দিনের উদ্ভাবনী বাংলাদেশ দিনাজপুর চিরিরবন্দরের দুই মেধাবী তরুণের জাতীয় পর্যায়ে সাইবার নিরাপত্তায় গৌরবময় অংশগ্রহণ ‎নাসিরনগরে অটোরিক্সা চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটো চালকের মৃত্যু নাসিরনগরে উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন এম এ হান্নান এমপি নাসিরনগরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে গবাদিপশু সহ ৩টি বসতভিটা পুড়ে ছাই। পাবনায় মাদকদ্রব্য সেবনের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নপূরণে সরাইল – নাসিরনগর – হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক। কেরানীগঞ্জে ইনোভেশন আইডিয়া মেলায় নতুনদের চমক নাসিরনগরে ফুটবল খেলার জেরে দু’ পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ মানবকল্যাণ ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে – সাবরিনা বিনতে আহমেদ শুভ্রা মুকসুদপুরে স্টার্টআপ সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া প্রদর্শনী পাবনায় প্রতারণা মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে পুশ-ইন ঠেকাতে মুখোমুখি বিজিবি-বিএসএফ ভারতকে একের পর এক কূটনৈতিক চিঠি বাংলাদেশের নীতি-নৈতিকতার চরম অবক্ষয়; অস্থিরতা ও বিতর্কে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শাহজাদপুরে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: ১৩৮ বোতল ইস্কাফসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার রাজশাহীতে অস্ত্র গুলি ও এলকোহোল উদ্ধার পাবিপ্রবি শিক্ষার্থী সাগরিকা খাতুনের পরিবারের ওপর সশস্ত্রী হামলা: জমি দখলের নামে তাণ্ডব ও প্রাণনাশের আশঙ্কা পাবনায় নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট জরিমানা ও ৯০ কেজি পলিথিন জব্দ পাবিপ্রবি ছাত্রীদের গণতন্ত্র হলে সিসিটিভি নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ! নিরাপত্তার নামে নজরদারি নাকি ছাত্রীদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ? স্ত্রীকে মৃত দেখিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে! আনসার সদস্য এমরানের প্রতারণা ফাঁস শিশু ভর্তি পরীক্ষা বাংলাদেশ: শৈশব নাকি প্রতিযোগিতার যুদ্ধ? RS Fahim Arrest: মিরপুরে ‘মব’ নাটক! ৫টি চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

নাসিরনগরে ‎বাজেট কার্যকরের আগেই ভোক্তাদের পকেট কাটছে অসাধু সিন্ডিকেট

খ,ম,জায়েদ হোসেন(নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়ীয়া)
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
নাসিরনগরে ‎বাজেট কার্যকরের আগেই ভোক্তাদের পকেট কাটছে অসাধু সিন্ডিকেট

নাসিরনগরে ‎বাজেট কার্যকরের আগেই ভোক্তাদের পকেট কাটছে অসাধু সিন্ডিকেট

‎বাজেট কার্যকরের আগেই সিগারেটের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। নতুন অর্থবছরের জাতীয় বাজেট আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও এর আগেই বাজারে শুরু হয়েছে মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা। বিশেষ করে তামাকজাত পণ্যের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বাজেটে সিগারেটের ওপর কর বৃদ্ধির প্রস্তাব ঘোষণার পর থেকেই। খুচরা বিক্রেতা ও ভোক্তাদের অভিযোগ, নতুন দাম কার্যকর হওয়ার আগেই একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারী চক্র বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে সিগারেট বিক্রি করছে। নাসিরনগর সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেট আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি পর্যায় থেকেই তাদের বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে ভোক্তাদের কাছ থেকেও বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে।

‎বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধির খবর প্রকাশের পরপরই কিছু কিছু কোম্পানি ও ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ সীমিত করে দেওয়া হয়। এতে বাজারে সিগারেটের কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয় এবং সেই সুযোগে দাম বাড়তে শুরু করেছে।

‎নাসিরনগরের কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা জানান, জুন মাসের শুরু থেকেই পাইকারি বাজারে সিগারেটের দাম ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়েছে। ফলে পূর্বের দামে সিগারেট বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। তারা বলেন, দাম বাড়লেও সিগারেটের চাহিদায় তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না, ফলে শেষ পর্যন্ত বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে ভোক্তাদেরই।

‎অন্যদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব পণ্যের ওপর কর ও শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেসব পণ্যের ক্ষেত্রে বাজারে এখনো তেমন কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। অনেক পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে, কোথাও কোথাও মূল্য আরও বেড়েছে।

‎বিক্রেতাদের দাবি, পুরোনো দামে কেনা স্টক শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন কম দামে পণ্য বিক্রি করা সম্ভব নয়। তবে ভোক্তারা বলছেন, দাম বাড়ানোর সময় ব্যবসায়ীরা কখনো পুরোনো স্টকের যুক্তি দেখান না। বরং ঘোষণার পরপরই নতুন দাম কার্যকর করে দেওয়া হয়। অথচ দাম কমানোর ক্ষেত্রে নানা অজুহাত ক্রেতাদের সামনে আনা হয়।

‎ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে কার্যকর নজরদারির অভাব এবং অসাধু সিন্ডিকেটের প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তারা মনে করেন, বাজেট ঘোষণার পর থেকে বাস্তবায়নের মধ্যবর্তী সময়টিতে বাজারে বিশেষ মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।

‎অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকরাও একই ধরনের মত দিয়েছেন। তাদের মতে, প্রতিবছরই বাজেট ঘোষণার পর কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করে। এ প্রবণতা রোধে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, বিশেষ করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাজার তদারকি প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন প্রয়োজন।

‎তারা বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোক্তা স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।

হালুয়াঘাটে মোবাইল গেম আসক্তি তীব্র অবক্ষয়ের মুখে কিশোরেরা প্রশাসনের সহযোগিতা চায় সচেতন মহল

আরিফ আহম্মেদ (ময়মনসিংহ)
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
হালুয়াঘাটে মোবাইল গেম আসক্তি তীব্র অবক্ষয়ের মুখে কিশোরেরা প্রশাসনের সহযোগিতা চায় সচেতন মহল

হালুয়াঘাটে মোবাইল গেম আসক্তি তীব্র অবক্ষয়ের মুখে কিশোরেরা প্রশাসনের সহযোগিতা চায় সচেতন মহল

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় তরুণ ও যুবসমাজের মাঝে মোবাইল গেমের আসক্তি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশেষ করে ৮ থেকে ১৬ বছর বয়সী কিশোরেরা ক্রমশ এই মরণনেশার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। উপজেলার গ্রাম, মফস্বল, রাস্তা-ঘাট, এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের

 

আনাচে-কানাচে চোখ রাখলেই দেখা মেলে একদল তরুণের, যারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে খেলছে ‘পাবজি’ (PUBG) কিংবা ‘ফ্রি ফায়ার’ (Free Fire)-এর মতো জনপ্রিয় ও আসক্তিপূর্ণ গেমগুলো।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এই মোবাইল গেমিংয়ের কারণে তরুণ প্রজন্ম তাদের মূল্যবান সময়ের অপচয় করছে এবং ক্রমশ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। গেমের পেছনে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার ফলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা এবং শিক্ষাঙ্গন থেকে ছিটকে পড়ছে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

 

এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, গেম আসক্ত এই অল্প বয়সী কিশোরদের আচার-আচরণে দিন দিন চরম অবক্ষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমনকি অনেক কিশোর অন্য আসক্তদের দেখে নিজেদের বাবা-মাকে দামি স্মার্টফোন কিনে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও বাধ্য করছে।

 

দিন-রাতের বেশিরভাগ সময় ভার্চুয়াল জগতের এই মরণখেলায় পার করে দেওয়ায় সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন অভিভাবকগণ। সচেতন মহলের দাবি, আজকের এই শিশু-কিশোররাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারা যদি এভাবে আসক্তির অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়, তবে সমাজের হাল ধরবে কে?

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই মোবাইল গেম আসক্তি আগামীতে মাদকের চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ এবং যুবসমাজকে রক্ষায় হালুয়াঘাটবাসী ও সচেতন মহল প্রশাসনের জরুরি ও বিশেষ সহযোগিতা কামনা করছে।

হালুয়াঘাটের যুবক ভারতে বিএসএফের হাতে আটক পতাকা বৈঠক চলছে ফিরিয়ে আনার বিজিবির সর্বোচ্চ চেষ্টা। 

আরিফ আহম্মেদ ( ময়মনসিংহ)
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
হালুয়াঘাটের যুবক ভারতে বিএসএফের হাতে আটক পতাকা বৈঠক চলছে ফিরিয়ে আনার বিজিবির সর্বোচ্চ চেষ্টা। 

হালুয়াঘাটের যুবক ভারতে বিএসএফের হাতে আটক পতাকা বৈঠক চলছে ফিরিয়ে আনার বিজিবির সর্বোচ্চ চেষ্টা।

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ৭ নং শাকুয়াই ইউনিয়নের কাউচিয়া গ্রামের এক যুবক ভুলবশত সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে গিয়ে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর হাতে আটক হয়েছেন। আটক যুবক ওই এলাকার আফসার উদ্দিনের (আচু ভাই) ছেলে। তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফ-এর মধ্যে বর্তমানে দীর্ঘ সময় ধরে পতাকা বৈঠক (ফ্ল্যাগ মিটিং) চলছে।

 

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে সীমান্তবর্তী এলাকার একজন সচেতন নাগরিক বিষয়টি প্রথমে আটক যুবকের মামা মো. সম্রাটকে ফোনের মাধ্যমে জানান। পরবর্তীতে যুবকের পরিবার ও স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীরা বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত তৎপরতা শুরু করেন। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় সচেতন মহল তাৎক্ষণিকভাবে ৩৫ ব্যাটালিয়ন বিজিবির সেক্টর কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করেন।

 

যোগাযোগ করা হলে বিজিবির সেক্টর কমান্ডার যুবকের পরিবারকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকলে এবং অন্য কোনো আইনি জটিলতা না পাওয়া গেলে বিজিবি ওই যুবককে ফিরিয়ে এনে নিজ হেফাজতে গ্রহণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

 

এদিকে সার্বিক বিষয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন ৭ নং শাকুয়াই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. ইউনুস আলী খান। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি যুবকের পরিচয় নিশ্চিতকরণসহ সব ধরনের দাপ্তরিক তথ্য প্রদান এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করতে সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

 

যুবকটি কীভাবে বা কার মাধ্যমে সীমান্ত পার হলো, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। যুবকের বাবার বক্তব্য অনুযায়ী, ছেলেটি বাড়ি থেকে কক্সবাজার যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। কিন্তু কক্সবাজার থেকে সে কীভাবে, কার মাধ্যমে বা কোন পরিস্থিতিতে হঠাৎ সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে গেল—সে বিষয়ে পরিবার এখনো পরিষ্কারভাবে কিছুই বলতে পারছে না।

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও উদ্বেগের মাঝে একটি স্বস্তির খবর পাওয়া গেছে। ইউটিউবে প্রচারিত একটি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের ভিডিওতে দেখা গেছে, আটক যুবকটি সেখানে বসে রুটি ও কলা খাচ্ছে। এই দৃশ্যটি দেখে পরিবার ও এলাকাবাসী অন্তত এতটুকু নিশ্চিত হয়েছেন যে, সে বর্তমানে শারীরিকভাব সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছে।

 

যেহেতু বর্তমানে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, তাই যুবকের পরিবার ও স্থানীয় দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সাথে এই সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য কোথাও কোনো ধরনের মনগড়া তথ্য বা গুজব না ছড়াতে এবং প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। যুবকের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালো করতে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার বিকল্প নেই: তাওহীদ হৃদয়

মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (নারায়ণগঞ্জ)
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালো করতে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার বিকল্প নেই: তাওহীদ হৃদয়

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালো করতে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার বিকল্প নেই: তাওহীদ হৃদয়

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তরুণ ও প্রভাবশালী ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দলের সামগ্রিক উন্নতির স্বার্থে ঘরোয়া ও দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলোতে নিয়মিত ‘স্পোর্টিং উইকেট’ (যে উইকেটে ব্যাটার এবং বোলার দুই পক্ষই সমান সুবিধা পায়) তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রেক্ষাপটে উইকেটের আচরণ এবং দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তরুণ এই মিডল অর্ডার ব্যাটার স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমরা যদি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে ভালো করতে চাই, আমাদের এমন ধরণের উইকেটে-ই খেলতে হবে।”

তিনি মূলত এমন উইকেটের কথা বুঝিয়েছেন, যা ব্যাটারদের বড় রান সংগ্রহে সাহায্য করার পাশাপাশি বোলারদেরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দক্ষতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। সাধারণত মিরপুর বা দেশের অন্যান্য ভেন্যুতে মন্থর ও টার্নিং উইকেটে খেলে সাময়িক সাফল্য পাওয়া গেলেও, বড় টুর্নামেন্ট বা আইসিসি (ICC) ইভেন্টগুলোতে গিয়ে বাংলাদেশি ব্যাটারদের বেশ ভুগতে হয়। তাওহীদ হৃদয় মনে করেন, দেশের মাটিতে নিয়মিত স্পোর্টিং উইকেটে খেললে ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক মানের স্কিল ও মানসিকতা গড়ে উঠবে।

স্পোর্টিং উইকেট বানিয়েও যে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া দলকে সিরিজে হারানো সম্ভব, সেটি বাংলাদেশ দল ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে। উইকেটে কেবল স্পিন বা স্লোয়ারের বাড়তি ফায়দা না নিয়ে, ভালো ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ কন্ডিশন তৈরি করেও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে জয় পাওয়া সম্ভব—হৃদয়ের চাওয়া, এমন উইকেট যেন দেশের মাটিতে নিয়মিত তৈরি করা হয়।

সামনে বড় বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট ও অ্যাওয়ে সিরিজের কথা মাথায় রেখে তাওহীদ হৃদয়ের এই সাহসী ও বাস্তবসম্মত মন্তব্য বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।