কাঁদতে থাকা শিশুকে বাসায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ট্রাফিক কনস্টেবল গ্রেপ্তার
ছবিঃ বিডি নিউজ ২৬
কাঁদতে থাকা শিশুকে বাসায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ট্রাফিক কনস্টেবল গ্রেপ্তার
ঢাকার কলাবাগান থেকে এক কাঁদতে থাকা শিশুকে বাসায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেছে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, গ্রেপ্তারকৃত কনস্টেবলের নাম মো. রুহুল আমিন (৪১)। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের ধানমন্ডি ট্রাফিক ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন। রুহুলের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার শেখ সাদি এলাকায় এবং তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার রূপালী আবাসিক এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
🔹 কীভাবে ধরা পড়েন কনস্টেবল
ওসি লিয়াকত আলী বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় শহরের চাষাঢ়া এলাকায় স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে রুহুল আমিনকে আটক করা হয়। তার সঙ্গে তখন ১২ বছর বয়সী এক মেয়েশিশু ছিল। পরে তাকে সদর মডেল থানা থেকে রাত ১টার দিকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
🔹 ভুক্তভোগী শিশুর অবস্থা
কাঁদতে থাকা শিশুকে বাসায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ট্রাফিক কনস্টেবল গ্রেপ্তার . ভুক্তভোগী মেয়েটি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন। পুলিশের তথ্যমতে, শিশুটি মাদারীপুর জেলার বাসিন্দা এবং ঢাকার কলাবাগানে একটি বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত।
শিশুটির চাচা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।
🔹 তদন্তে যা জানা গেছে
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সোমবার দুপুরে কলাবাগান পুলিশ বক্সের সামনে শিশুটি কান্না করছিল। সেই সময় পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল রুহুল আমিন তাকে ‘সহায়তা’ দেওয়ার কথা বলে নিজের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়।
পরে তিনি শিশুটিকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। কিন্তু পথে চাষাঢ়ায় শিশুটি কান্না শুরু করলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয় এবং তারা পুলিশে খবর দেয়।
🔹 আদালতে প্রেরণ
ওসি লিয়াকত আলী বলেন, “ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। কনস্টেবল রুহুল আমিনকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
আদালত পুলিশের পরিদর্শক কাইউম খানও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
