নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশকারীরা দেশের পক্ষের শক্তি নয়
ছবিঃ অনলাইন ডেস্ক
নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশকারীরা দেশের পক্ষের শক্তি নয়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, যারা বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছে, তারা গণতন্ত্র ও জনগণের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে না।
শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবদল আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন বলেন,
যারা নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশকারীরা দেশের পক্ষের শক্তি নয় “খালেদা জিয়া শুধু একটি নাম নয়, তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সন্তানদের নিয়ে বন্দিত্ব সহ্য করেছেন। পরবর্তীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ‘আপসহীন দেশনেত্রী’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর নেতৃত্বেই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।”
তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯৬ সালে জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন খালেদা জিয়া, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করেছিল। আজও তিনি জনগণের কাছে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে আলোর দিশারি হয়ে আছেন বলে মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন।
খালেদা জিয়ার জন্মদিনে সারাদেশে আনন্দ ও উৎসাহের সঞ্চার হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন,নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশকারীরা দেশের পক্ষের শক্তি নয়, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলীয় নেতাকর্মীরা এখনো তার কাছ থেকে দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন। তার পরামর্শেই দল সবসময় আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যমতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক অগ্রগতি চেয়েছে।
তিনি বলেন,
“আমরা সেই গণতন্ত্র চাই, যার জন্য আমাদের সন্তানরা প্রাণ দিয়েছে, রক্ত ঝরিয়েছে। জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের পথে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন বলেন, “আজ যারা নির্বাচন নিয়ে নানা শঙ্কা সৃষ্টি করছে, তারা জনগণের পক্ষে নয়। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচনকে ব্যাহত করা কিংবা বিলম্বিত করা। তবে দেশের মানুষ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জনগণ যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের সব গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকলে আসন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
