দিনাজপুরে আশা সিমেন্টের ‘স্বপ্ন কারিগর’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
দিনাজপুরে আশা সিমেন্টের ‘স্বপ্ন কারিগর’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
দিনাজপুর সদর উপজেলা সাব-কন্ট্রাক্টর ও রাজমিস্ত্রিদের নিয়ে আবুল খায়ের গ্রুপের অন্তর্গত আশা সিমেন্টের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্বপ্ন কারিগর’ অনুষ্ঠান। নির্মাণশিল্পের সাথে সম্পৃক্ত দক্ষ কারিগরদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি, তাঁদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান এবং নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে দিনাজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাব-কন্ট্রাক্টর, রাজমিস্ত্রি ও নির্মাণকাজের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নির্মাণশিল্পে দক্ষ কারিগরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, মানসম্মত নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার এবং আধুনিক নির্মাণপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের গ্রুপের অন্তর্গত আশা সিমেন্টের রংপুর অঞ্চলের রিজিওনাল ম্যানেজার জনাব মো. জিল্লুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার জনাব মো. শরিফুল ইসলাম, আশা সিমেন্টের সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হাসিনুর রহমান এবং স্থানীয় পর্যায়ের সম্মানিত ডিস্ট্রিবিউটরবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার পাপন সাহা, মার্কেটিং অফিসার রুহুল আমিন এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. রাকিব হোসেন।
আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, একটি ভবন বা স্থাপনার স্থায়িত্ব ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে উন্নতমানের নির্মাণসামগ্রীর পাশাপাশি দক্ষ রাজমিস্ত্রি ও অভিজ্ঞ সাব-কন্ট্রাক্টরদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্মাণশিল্পের সাথে যুক্ত কারিগরদের দক্ষতা, এ সময় উপস্থিত সাব-কন্ট্রাক্টর ও রাজমিস্ত্রিরা আশা সিমেন্টের এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, নির্মাণশিল্পের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত কারিগরদের নিয়ে এমন আয়োজন পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি কাজের প্রতি উৎসাহ ও আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে উপস্থিত সাব-কন্ট্রাক্টর ও রাজমিস্ত্রিদের মাঝে আশা সিমেন্টের পক্ষ থেকে উপহারসামগ্রী প্রদান করা হয়। উপহার গ্রহণের মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নির্মাণশিল্পের কারিগরদের সম্মান জানানো এবং তাঁদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রত্যয়ে আয়োজিত ‘স্বপ্ন কারিগর’ অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সবার মাঝে আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
