খুঁজুন
, ,
আজঃ ,
শিরোনাম
প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি শিবলী সাদিকের বিশ্বস্ত আব্দুস সবুর(তপন) অবাধে সক্রিয় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার কমলেও শিক্ষা নগরি চিরিরবন্দরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চমক অব্যাহত। মো: মোস্তাকিম আল হাসনাত,দিনাজপুর। এবারের এসএসি ২০২৬ এর ফলাফলে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশে নেমে এলেও ব্যতিক্রম “শিক্ষা নগরী” চিরিরবন্দর। বোর্ডের গড়ের চেয়ে অনেক বেশি পাসের হার ও জিপিএ-৫ নিয়ে ফের আলোচনায় উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এক বছরের ব্যবধানে এই বোর্ডে পাশের হার কমেছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। চলতি বছর পাশের হার নেমে এসেছে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশে পাশের হারের পাশাপাশি জিপিএ-৫ কমেছে, পাশাপাশি বেড়েছে শূন্য ফলাফল করা স্কুলের সংখ্যা কিন্তু এর মধ্যেই ব্যতিক্রম চিরিরবন্দর উপজেলার ১০টি পরিচিত স্কুলের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১৩৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১৮৮ জন গড় পাসের হার ৮৮.৮৫ শতাংশ যা বোর্ডের গড়ের চেয়ে ৩০.০৮ শতাংশ বেশি। সরকারী বেসরকারী মোট ১০টি স্কুলের এবারের ২০২৬ এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে ১৩৩৭ জন পরিক্ষার্থী মধ্যে ৮৮.৮৫ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ১১৮৮ জন পরিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯৪ জন পরিক্ষার্থী। আইডিয়াল রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল থেকে ২৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪২ জন পরীক্ষার্থী, আমেনা-বাকী রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২১৭ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০২জন পরীক্ষার্থী, মেহের-হোসেন রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল থেকে ৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৩ জন পরীক্ষার্থী , সিটি রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এর ৭১ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫ জন পরিক্ষার্থী। পিছিয়ে নেই সরকারি ও এমপিওভুক্ত স্কুল গুলিও আলোকডিহি জান বক্স উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৫৯ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৯.৫৩ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ২০৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬ জন পরিক্ষার্থী, কালিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৮.০৬ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ১১৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ জন পরিক্ষার্থী, চিরিরবন্দর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯২ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৩.৯১ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৬ও জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন পরিক্ষার্থী, আমতলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯২ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে ৭৮.২৬ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৭২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন পরিক্ষার্থী, দক্ষিণ পলাশবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৬ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৭.৬৩ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৫৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন পরিক্ষার্থী, হাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮০ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৬.২৫ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৬১ জন পরিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন পরিক্ষার্থী। মেহের-হোসেন রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, “বোর্ডের ফল খারাপ হলেও আমরা আমাদের মান ধরে রেখেছি। সারা বছর মডেল টেস্ট, দুর্বলদের আলাদা কেয়ার আর অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগের কারণে এই ধারাবাহিকতা।” সিটি রেসিন্ডেসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজে প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোকলেছুর রহমান বলেন ,” এবারের প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ তুলনামুলক কঠিন হলেও চিরিরবন্দরকে ঘিরে গড়ে ওঠা আবাসিক অনাবাসিক স্কুলগুলোর কঠোর মনিটরিং ও পড়াশোনার পরিবেশের কারণেই এই সাফল্য।” চিরিরবন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, “বোর্ডে যখন পাসের হার কমেছে, তখন আমাদের উপজেলার প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো করেছে এটা আমাদের জন্য গর্বেরই, প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশ্রম ও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহই এই ধারাবাহিক সাফল্যের কারণ সেইসাথে কিছু প্রতিষ্ঠান ভালো কলেও বেশকিছু স্কুল আশানুরূপ ফলাফল করতে পারে নাই। আমরা এই স্কুলগুলিতে বিশেষ মনিটরিং এর করবো যাতে করে আমরা এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও ভালো ফলাফল বের করে আনতে পারি সেই চেষ্টাই করবো “। শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা দেওয়ার প্রতিবাদে হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মো: মোস্তাকিম আল- হাসনাত দিনাজপুর, শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির হাতে ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সম্পূর্ণ মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে শিক্ষার্থীরা একত্রিত হতে শুরু করেন। পরে সেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে বিক্ষোভে অংশ নেন এবং শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়ায় ম্যানেজিং কমিটির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হলে নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর ফলে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরা বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষক নিয়োগ কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক, প্রভাব বা সুপারিশনির্ভর হওয়া উচিত নয়। একজন শিক্ষকের যোগ্যতা, মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার মান ধরে রাখতে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, শিক্ষকরা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই শিক্ষক নিয়োগে সামান্য অনিয়মও দীর্ঘমেয়াদে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হলে তা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও উচ্চশিক্ষার পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি উঠে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও একটি যোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলতে দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। তাই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবমুক্ত রেখে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার দাবি জানান তারা। রাতের এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এলাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষার মান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া যাবে না। শিক্ষার্থীদের দাবি, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে প্রার্থীর মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগের প্রধান মানদণ্ড। নাসিরনগর জামিয়া মতিনিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসায় শতভাগ পাস লোডশেডিংয়ে রেকর্ড! দেশের অনেক এলাকায় ১০ ঘণ্টাও থাকছে না বিদ্যুৎ ১২ আগস্ট আকাশে বিরল দৃশ্য! ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ডে অন্ধকারে ঢেকে যাবে সূর্য বাংলাদেশে Xiaomi-এর নতুন REDMI 17 ৭৫০০mAh ব্যাটারি ও ১২০Hz ডিসপ্লে মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তনের গুঞ্জন! আসছে নতুন মুখ ঘুমের মধ্যেই বিষধর সাপের ছোবল! সেই সাপ নিয়েই হাসপাতালে ৫৫ বছরের নারী নাসিরনগরের বড়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ জনের মধ্যে পাস ৩৩ জন পাশের হার ৯১.৫৮% এসএসসি রেজাল্ট দেখুন এখান থেকে দিনাজপুরে আশা সিমেন্টের ‘স্বপ্ন কারিগর’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে স্কুলছাত্রী ও যুবককে নির্যাতনের মূলহোতা গ্রেফতার পাবনার বেড়ায় ইয়াবা ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত মাদক ডিলার আমিনের ১ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড গোপালগঞ্জে নিখোঁজ গ্রীন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার তদন্তে পুলিশ প্রতিবেদন প্রকাশের পর আলোচনার কেন্দ্রে তরুণ রেফারি নাহিদ, বিভিন্ন টুর্নামেন্ট থেকে আসছে আমন্ত্রণ নাসিরনগরে বিভন্ন সড়কের পাশে ও  ময়লার স্তূপ: তীব্র দুর্গন্ধ বাড়ছে জনদুর্ভোগ ​ শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: রয়টার্স সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, টুঙ্গিপাড়ার জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে এমপি এস এম জিলানী কৃষকদলের ৮ লাখ বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু প্রথম চারা রোপণ করলেন এমপি জাহাঙ্গীর আলম নাসিরনগরে ১২ হাজার টাকার জালনোট সহ গ্রেফতার -১ রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের পর কী কী সরকারি সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন? জানুন আইনে যা আছে রাষ্ট্রপতি পদে নতুন মুখ নিয়ে জোর আলোচনা বিএনপির তিন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় ! নাসিরনগরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত  আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি উন্নয়ন উপহার চিরিরবন্দরে প্রধান অতিথি হুইপ আখতারুজ্জামান ​চিরিরবন্দরে ১১ হাজার ভোল্টের লাইনে কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু হরিরামপুরে মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্যের জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নাসিরনগর গুনিয়াউকে সড়ক উন্নয়ন  কাজের উদ্বোধন করেন এমপি এম এ হান্নান। স্মার্ট ব্যাংকিংয়ের নতুন দিগন্ত রানীরবন্দরে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলা কিউআর’ চালু ডিজিটাল কৃষির নতুন দিগন্ত চিরিরবন্দরে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা

লোডশেডিংয়ে রেকর্ড! দেশের অনেক এলাকায় ১০ ঘণ্টাও থাকছে না বিদ্যুৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
লোডশেডিংয়ে রেকর্ড! দেশের অনেক এলাকায় ১০ ঘণ্টাও থাকছে না বিদ্যুৎ

লোডশেডিংয়ে রেকর্ড! দেশের অনেক এলাকায় ১০ ঘণ্টাও থাকছে না বিদ্যুৎ

তীব্র গরমের মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং হচ্ছে। কোথাও কোথাও দিনে ও রাতে মিলিয়ে প্রায় ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস ও কয়লার সংকটের পাশাপাশি ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের সরবরাহ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্টরা।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেল ৩টার দিকে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি প্রায় ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। এর আগে গত সপ্তাহে সর্বোচ্চ ঘাটতি ছিল প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ঘাটতি

পিজিসিবির হিসাব অনুযায়ী, রোববার বিকেল ৩টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার ৫৯ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে মাত্র ১২ হাজার ৩৮৮ মেগাওয়াট।

পরবর্তী সময়ে বিকেল ৫টার দিকে উৎপাদন কিছুটা বেড়ে প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছালেও তখনও প্রায় ২ হাজার ৯৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল।

বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তাদের মতে, উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।

কমেছে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ

ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও সরবরাহ কমে যাওয়ায় সংকট আরও বেড়েছে। সাধারণত পিক আওয়ারে সেখান থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও রোববার বিকেল ৫টার দিকে সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ৮১৫ মেগাওয়াটে।

পিডিবির কাছে আদানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কয়লা পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে। এর ফলে কেন্দ্রটিতে কয়লার মজুত কমে যাওয়ায় উৎপাদন হ্রাস করা হয়েছে।

তবে আদানির দেওয়া কারণ স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি পিডিবি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শনের সুযোগ না থাকায় আপাতত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

কয়লা সংকটেও কমছে উৎপাদন

শুধু আদানি নয়, দেশের কয়েকটি বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেও উৎপাদন স্বাভাবিকের তুলনায় কম রয়েছে। কয়লার ঘাটতি ও যান্ত্রিক সমস্যার কারণে বড়পুকুরিয়া, বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি, মাতারবাড়ী, পায়রা, রামপালসহ কয়েকটি কেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধ ছিল। পরে রাতে সেটি চালু হওয়ার খবর পাওয়া যায়। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট হলেও ওই সময়ে উৎপাদন ছিল প্রায় ৭১০ মেগাওয়াট।

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকেও উৎপাদন সক্ষমতার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে এসএস পাওয়ারের দুটি ইউনিট থেকেও পূর্ণ সক্ষমতার তুলনায় কম উৎপাদন হয়েছে।

গ্যাস সংকটে কমেছে ২ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন

দেশের বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের দৈনিক প্রয়োজন ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি। কিন্তু বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট।

গ্যাসের ঘাটতির কারণে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টার দিকে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫৮৯ মেগাওয়াট। এসব কেন্দ্রের মোট সক্ষমতা প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট।

অন্যদিকে তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট সক্ষমতা ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও সেখান থেকে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট।

পিডিবির হিসাব বলছে, গ্যাস সংকটেই অন্তত ২ হাজার মেগাওয়াট এবং কয়লা ও অন্যান্য জ্বালানি-সংক্রান্ত সমস্যায় আরও প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই ঘাটতিই দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের অন্যতম প্রধান কারণ।

এলএনজি সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা

গ্যাস সংকটের পেছনে আরও একটি বড় কারণ হিসেবে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্নের বিষয়টি সামনে এসেছে। গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার পর দেশে দৈনিক প্রায় ৫১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়।

এর প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে। টার্মিনালটি মেরামতের পর ৫ আগস্ট রাতে সীমিত পরিসরে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়।

রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে মোট প্রায় ৭৫ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট।

সংশ্লিষ্টদের আশা, মেরামতের কাজ শেষ হলে সোমবার রাত ১১টার পর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে পূর্ণমাত্রায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে। তবে নির্ধারিত সময়ে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দেশে দৈনিক গ্যাসের মোট সরবরাহ প্রায় ২৬৫ কোটি ঘনফুটে পৌঁছাতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিং পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি হবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১০ ঘণ্টা লোডশেডিংAdani ElectricityAdani Power BangladeshBangladesh Electricity Crisisbangladesh newsbdnews26Electricity NewsElectricity ShortageExcelerate EnergyIndia Bangladesh Powerlatest Bangladesh newsLNG BangladeshLNG Terminal BangladeshLoad Shedding BangladeshPower CrisisPower Crisis Bangladeshআজকের জাতীয় খবরআজকের লোডশেডিংআদানি বিদ্যুৎএলএনজিকয়লা সংকটগ্যাস সংকটগ্যাস সরবরাহ সংকটগ্যাসের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনজাতীয় খবরঢাকার বাইরে লোডশেডিংতীব্র গরম বাংলাদেশপায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রপিজিসিবিপিডিবিবড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রবাংলাদেশে লোডশেডিংবিদ্যুৎ উৎপাদন সংকটবিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডবিদ্যুৎ ঘাটতিবিদ্যুৎ নেইবিদ্যুৎ সংকটবিদ্যুৎ সংকট বাংলাদেশভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিমাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্ররামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রলোডশেডিং বাংলাদেশলোডশেডিংয়ের রেকর্ড

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি শিবলী সাদিকের বিশ্বস্ত আব্দুস সবুর(তপন) অবাধে সক্রিয়

বিশেষ প্রতিনিধি, পাবনা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি শিবলী সাদিকের বিশ্বস্ত আব্দুস সবুর(তপন) অবাধে সক্রিয়

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি শিবলী সাদিকের বিশ্বস্ত আব্দুস সবুর(তপন) অবাধে সক্রিয়

পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চাঞ্চল্যকর ছাত্র হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি ও পলাতক যুবলীগ নেতা শিবলী সাদিকের অত্যন্ত সক্রিয় ও বিশ্বস্ত কর্মী আব্দুস সবুর (তপন) চতুরতার সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় অবাধে অবস্থান ও অপতৎপরতা পরিচালনা করছেন। হত্যা মামলার প্রধান আসামি শিবলী সাদিকের সবচেয়ে কাছের ছায়াসঙ্গী হিসেবে পরিচিত এই আব্দুস সবুর (তপন) নিজেকে আড়ালে রেখে বর্তমানে পাবনায় নিষিদ্ধ সংগঠনের যাবতীয় রাজনৈতিক অপতৎপরতার প্রধান অর্থ জোগানদাতার ভূমিকা পালন করছেন। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে কৌশল বদলে চলাফেরা করলেও তিনি মূল কলকাঠি নাড়ছেন আড়াল থেকেই; পলাতক শিবলী সাদিকের সমস্ত অবৈধ উপার্জিত কোটি কোটি টাকা ও বিপজ্জনক অবৈধ অস্ত্রের বড় ভান্ডার বর্তমানে সংরক্ষিত রয়েছে সবুরের হেফাজতেই।

পলাতক আসামি শিবলী সাদিকের সাথে নিয়মিত গোপনীয় যোগাযোগ ও মিটিং বজায় রেখে তিনি শুধু রাজনৈতিক মিটিং-মিছিলের গোপন খরচই জোগাচ্ছেন না, বরং আয়ের পথ সচল রাখতে স্থানীয় অপরাধ চক্র ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের সাথেও গভীর আঁতাত গড়ে তুলেছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শিবলী সাদিকের ছত্রছায়ায় পাবনার বিভিন্ন দপ্তরের ঠিকাদারি, টেন্ডারবাজি ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল সম্পদের মালিক হন এই সবুর, যা তিনি এখনো অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া ব্যক্তিগত জীবনেও তার বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তাড়াছা তার নামে অস্ত্র মামলা চলমান রয়েছে। কোন এক অদৃশ্যের ছায়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলা থেকে তার নাম অসে নাই। প্রশাসন এবং কথিত সাংবাদিকদের সাথে বন্ধুত্ব করে নিজেকে ভাল মানুষ সেজেছে। পাবনাবাসী সবাই জানে কে এই আব্দুস সবুর তপন? প্রশাসনের অগোচরে ও চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়ানো এবং হত্যা মামলার আসামি শিবলী সাদিকের এই মূল সহযোগী সবুরকে দ্রুত গ্রেফতার করে তার কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না করা হলে পাবনা অঞ্চলে বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা করছেন সচেতন নাগরিক।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার কমলেও শিক্ষা নগরি চিরিরবন্দরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চমক অব্যাহত। মো: মোস্তাকিম আল হাসনাত,দিনাজপুর। এবারের এসএসি ২০২৬ এর ফলাফলে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশে নেমে এলেও ব্যতিক্রম “শিক্ষা নগরী” চিরিরবন্দর। বোর্ডের গড়ের চেয়ে অনেক বেশি পাসের হার ও জিপিএ-৫ নিয়ে ফের আলোচনায় উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এক বছরের ব্যবধানে এই বোর্ডে পাশের হার কমেছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। চলতি বছর পাশের হার নেমে এসেছে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশে পাশের হারের পাশাপাশি জিপিএ-৫ কমেছে, পাশাপাশি বেড়েছে শূন্য ফলাফল করা স্কুলের সংখ্যা কিন্তু এর মধ্যেই ব্যতিক্রম চিরিরবন্দর উপজেলার ১০টি পরিচিত স্কুলের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১৩৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১৮৮ জন গড় পাসের হার ৮৮.৮৫ শতাংশ যা বোর্ডের গড়ের চেয়ে ৩০.০৮ শতাংশ বেশি। সরকারী বেসরকারী মোট ১০টি স্কুলের এবারের ২০২৬ এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে ১৩৩৭ জন পরিক্ষার্থী মধ্যে ৮৮.৮৫ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ১১৮৮ জন পরিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯৪ জন পরিক্ষার্থী। আইডিয়াল রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল থেকে ২৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪২ জন পরীক্ষার্থী, আমেনা-বাকী রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২১৭ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০২জন পরীক্ষার্থী, মেহের-হোসেন রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল থেকে ৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৩ জন পরীক্ষার্থী , সিটি রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এর ৭১ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫ জন পরিক্ষার্থী। পিছিয়ে নেই সরকারি ও এমপিওভুক্ত স্কুল গুলিও আলোকডিহি জান বক্স উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৫৯ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৯.৫৩ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ২০৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬ জন পরিক্ষার্থী, কালিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৮.০৬ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ১১৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ জন পরিক্ষার্থী, চিরিরবন্দর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯২ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৩.৯১ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৬ও জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন পরিক্ষার্থী, আমতলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯২ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে ৭৮.২৬ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৭২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন পরিক্ষার্থী, দক্ষিণ পলাশবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৬ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৭.৬৩ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৫৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন পরিক্ষার্থী, হাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮০ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৬.২৫ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৬১ জন পরিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন পরিক্ষার্থী। মেহের-হোসেন রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, “বোর্ডের ফল খারাপ হলেও আমরা আমাদের মান ধরে রেখেছি। সারা বছর মডেল টেস্ট, দুর্বলদের আলাদা কেয়ার আর অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগের কারণে এই ধারাবাহিকতা।” সিটি রেসিন্ডেসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজে প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোকলেছুর রহমান বলেন ,” এবারের প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ তুলনামুলক কঠিন হলেও চিরিরবন্দরকে ঘিরে গড়ে ওঠা আবাসিক অনাবাসিক স্কুলগুলোর কঠোর মনিটরিং ও পড়াশোনার পরিবেশের কারণেই এই সাফল্য।” চিরিরবন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, “বোর্ডে যখন পাসের হার কমেছে, তখন আমাদের উপজেলার প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো করেছে এটা আমাদের জন্য গর্বেরই, প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশ্রম ও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহই এই ধারাবাহিক সাফল্যের কারণ সেইসাথে কিছু প্রতিষ্ঠান ভালো কলেও বেশকিছু স্কুল আশানুরূপ ফলাফল করতে পারে নাই। আমরা এই স্কুলগুলিতে বিশেষ মনিটরিং এর করবো যাতে করে আমরা এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও ভালো ফলাফল বের করে আনতে পারি সেই চেষ্টাই করবো “।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার কমলেও শিক্ষা নগরি চিরিরবন্দরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চমক অব্যাহত।   মো: মোস্তাকিম আল হাসনাত,দিনাজপুর।  এবারের এসএসি ২০২৬ এর ফলাফলে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশে নেমে এলেও ব্যতিক্রম “শিক্ষা নগরী” চিরিরবন্দর। বোর্ডের গড়ের চেয়ে অনেক বেশি পাসের হার ও জিপিএ-৫ নিয়ে ফের আলোচনায় উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।  চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এক বছরের ব্যবধানে এই বোর্ডে পাশের হার কমেছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। চলতি বছর পাশের হার নেমে এসেছে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশে  পাশের হারের পাশাপাশি জিপিএ-৫ কমেছে, পাশাপাশি বেড়েছে শূন্য ফলাফল করা স্কুলের সংখ্যা কিন্তু এর মধ্যেই ব্যতিক্রম চিরিরবন্দর  উপজেলার ১০টি পরিচিত স্কুলের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১৩৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১৮৮ জন গড় পাসের হার ৮৮.৮৫ শতাংশ যা বোর্ডের গড়ের চেয়ে ৩০.০৮ শতাংশ বেশি। সরকারী বেসরকারী মোট ১০টি স্কুলের এবারের ২০২৬ এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে 	১৩৩৭ জন পরিক্ষার্থী মধ্যে ৮৮.৮৫ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ১১৮৮ জন পরিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ পেয়েছে  ৬৯৪ জন পরিক্ষার্থী। আইডিয়াল রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল থেকে ২৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪২ জন পরীক্ষার্থী, আমেনা-বাকী রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২১৭	 জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০২জন পরীক্ষার্থী, মেহের-হোসেন রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল থেকে ৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে	৭৩ জন পরীক্ষার্থী	, সিটি রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এর	 ৭১ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ পাশের হার নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে 	৬৫ জন পরিক্ষার্থী।  পিছিয়ে নেই সরকারি ও এমপিওভুক্ত স্কুল গুলিও আলোকডিহি জান বক্স উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৫৯ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৯.৫৩ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ২০৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬ জন পরিক্ষার্থী,	কালিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে	১৩৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৮.০৬ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ১১৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে	৩০ জন পরিক্ষার্থী, চিরিরবন্দর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে	৯২ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে  ৭৩.৯১ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৬ও জন জিপিএ-৫ পেয়েছে	১৭ জন পরিক্ষার্থী, আমতলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯২ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে ৭৮.২৬ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৭২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন পরিক্ষার্থী, দক্ষিণ পলাশবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে	৭৬ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৭.৬৩ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৫৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে 	৭ জন পরিক্ষার্থী, হাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে	৮০ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৭৬.২৫ শতাংশ পাশের হার নিয়ে পাশ করেছে ৬১ জন পরিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে	৪ জন পরিক্ষার্থী। মেহের-হোসেন রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, “বোর্ডের ফল খারাপ হলেও আমরা আমাদের মান ধরে রেখেছি। সারা বছর মডেল টেস্ট, দুর্বলদের আলাদা কেয়ার আর অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগের কারণে এই ধারাবাহিকতা।” সিটি রেসিন্ডেসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজে প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোকলেছুর রহমান বলেন ,” এবারের প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ তুলনামুলক কঠিন হলেও চিরিরবন্দরকে ঘিরে গড়ে ওঠা আবাসিক অনাবাসিক স্কুলগুলোর কঠোর মনিটরিং ও পড়াশোনার পরিবেশের কারণেই এই সাফল্য।” চিরিরবন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, “বোর্ডে যখন পাসের হার কমেছে, তখন আমাদের উপজেলার প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো করেছে এটা আমাদের জন্য গর্বেরই, প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশ্রম ও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহই এই ধারাবাহিক সাফল্যের কারণ সেইসাথে কিছু প্রতিষ্ঠান ভালো কলেও বেশকিছু স্কুল আশানুরূপ ফলাফল করতে পারে নাই। আমরা এই স্কুলগুলিতে বিশেষ মনিটরিং এর করবো যাতে করে  আমরা এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও ভালো ফলাফল বের করে আনতে পারি সেই চেষ্টাই করবো “।

শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা দেওয়ার প্রতিবাদে হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মো: মোস্তাকিম আল- হাসনাত দিনাজপুর, শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির হাতে ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সম্পূর্ণ মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে শিক্ষার্থীরা একত্রিত হতে শুরু করেন। পরে সেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে বিক্ষোভে অংশ নেন এবং শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়ায় ম্যানেজিং কমিটির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হলে নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর ফলে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরা বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষক নিয়োগ কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক, প্রভাব বা সুপারিশনির্ভর হওয়া উচিত নয়। একজন শিক্ষকের যোগ্যতা, মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার মান ধরে রাখতে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, শিক্ষকরা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই শিক্ষক নিয়োগে সামান্য অনিয়মও দীর্ঘমেয়াদে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হলে তা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও উচ্চশিক্ষার পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি উঠে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও একটি যোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলতে দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। তাই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবমুক্ত রেখে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার দাবি জানান তারা। রাতের এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এলাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষার মান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া যাবে না। শিক্ষার্থীদের দাবি, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে প্রার্থীর মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগের প্রধান মানদণ্ড।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা দেওয়ার প্রতিবাদে হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মো: মোস্তাকিম আল- হাসনাত দিনাজপুর, শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির হাতে ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সম্পূর্ণ মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।  সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে শিক্ষার্থীরা একত্রিত হতে শুরু করেন। পরে সেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে বিক্ষোভে অংশ নেন এবং শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান।  শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়ায় ম্যানেজিং কমিটির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হলে নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর ফলে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরা বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।  বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষক নিয়োগ কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক, প্রভাব বা সুপারিশনির্ভর হওয়া উচিত নয়। একজন শিক্ষকের যোগ্যতা, মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার মান ধরে রাখতে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রয়োজন।  শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, শিক্ষকরা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই শিক্ষক নিয়োগে সামান্য অনিয়মও দীর্ঘমেয়াদে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হলে তা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও উচ্চশিক্ষার পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।  এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি উঠে।  শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও একটি যোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলতে দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। তাই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবমুক্ত রেখে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার দাবি জানান তারা।  রাতের এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এলাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষার মান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া যাবে না।  শিক্ষার্থীদের দাবি, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে প্রার্থীর মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগের প্রধান মানদণ্ড।