স্বৈরাচার বিদায়ের পরও কেন এই দ্বিধা? রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের প্রতি কঠিন প্রশ্ন
ছবিঃ বিডি নিউজ ২৬
স্বৈরাচার বিদায়ের পরও কেন এই দ্বিধা? রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের প্রতি কঠিন প্রশ্ন
একটি বক্তব্যে যদি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন অস্বস্তি ও তৎপরতা দেখা যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—এই প্রতিক্রিয়া কি আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দেয়, নাকি দুর্বলতার? মতপ্রকাশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। সেখানে একটি কণ্ঠস্বরেই যদি কূটনৈতিক উদ্বেগ তৈরি হয়, তবে বিষয়টি নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে।
বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ করেছে—তারা কেবল আবেগে নয়, সচেতনতা ও সংগঠনের শক্তিতে পরিবর্তন আনতে জানে। সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাপ্রবাহ সেই বাস্তবতাই স্মরণ করিয়ে দেয়। এই জনগোষ্ঠীকে অবমূল্যায়ন করা বা হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ কারও নেই।
প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কূটনীতি কখনোই আত্মমর্যাদা বিসর্জন দেওয়ার নাম নয়। জনগণের প্রত্যাশা স্পষ্ট—বাংলাদেশ তার অবস্থান বলবে শান্তভাবে, কিন্তু দৃঢ়ভাবে; মার্জিত ভাষায়, কিন্তু শক্ত কণ্ঠে।
একটি স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর রাষ্ট্র পরিচালনায় যদি এখনও দ্বিধা ও সংকোচ লক্ষ্য করা যায়, তবে সেই নেতৃত্বের সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হওয়াই স্বাভাবিক। গণতন্ত্রে প্রশ্ন তোলা অপরাধ নয়—বরং তা রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করে।
