স্মার্ট ব্যাংকিংয়ের নতুন দিগন্ত রানীরবন্দরে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলা কিউআর’ চালু
স্মার্ট ব্যাংকিংয়ের নতুন দিগন্ত রানীরবন্দরে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলা কিউআর’ চালু
স্মার্ট ব্যাংকিংয়ের নতুন দিগন্ত রানীরবন্দরে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলা কিউআর’ চালু
ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে দেশের আর্থিক খাতে যুক্ত হলো নতুন এক মাইলফলক। দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দরে পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘ক্যাশলেস বাংলা কিউআর’ (Bangla QR)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২০ জুলাই, ২০২৬) দুপুর ১২টায় এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সেবার পর্দা উন্মোচন করা হয়।
গ্রাহক সেবায় আধুনিকতার ছোঁয়া
রানীরবন্দর পূবালী ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক সুমন সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেহা তুজ জোহরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন:
”দেশের আর্থিক খাতে ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে ক্যাশলেস ব্যাংকিং অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর একটি উদ্যোগ। এই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকরা আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সহজে লেনদেন করতে পারবেন। নগদ অর্থের ব্যবহার কমে আসায় লেনদেনে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা দুই-ই নিশ্চিত হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরা উল্লেখ করেন, পূবালী ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। রানীরবন্দরে ক্যাশলেস কিউআর চালুর মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের গতিশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার হুসাইন মোহাম্মদ ফিরোজ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন:
মোঃ আশানুর রহমান শাহ্ — এজিএম ও শাখা ব্যবস্থাপক, পূবালী ব্যাংক (সৈয়দপুর শাখা)।
মোঃ আব্দুল বারী — ডিজিএম, দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১।
মোঃ আব্দুল ওহাব — চেয়ারম্যান, ১ নং নশরতপুর ইউনিয়ন পরিষদ।
আলহাজ্ব সিকান্দার আলী শাহ — বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। নগদ টাকার ঝামেলা ছাড়াই স্মার্টফোনের মাধ্যমে লেনদেনের এই নতুন সুযোগ পেয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
